Search Box

Saturday, May 25, 2013

iCare Data Recovery Pro ফুল ভার্সন !!!

 

আপনার হারানো ফাইল, ছবি, সফ্টওয়্যার, ডাটা ইত্যাদি খুজে পেতে খুবই কার্যকরী ডাটা রিকোভারী সফ্টওয়্যার । হার্ড ডিস্ক, মেমোরি কার্ড বা ক্যামেরা কার্ড থেকে সহজেই ডাটা উদ্ধার করা যাবে। ডিলিট বা ফরম্যাট করা হলেও তা ফেরত আনা যাবে…………
যেসকল সুবিধা আছে >>
  • Reformatted partition, memory card, camera card by accident?
  • Corrupted MBR and cannot find your partition or USB not detected?
  • Accidentally deleted partition, partition lost?
  • Drive became RAW, chkdsk reports not available for raw drives?
  • SHIFT+DELETE, emptied Recycle Bin, need file recovery?
  • Recover files from dynamic disk, RAID?
  • Data loss without a reason, Need recovery software?
  • Partition software failure?
  • drive/card reports not formatted, do you want to format it now?
  • Preview lost photos, office files before purchase

এটা দিয়ে Win7 এ কাজ করা যাবে আরামে, আর XP তে তো কোন কথায় নেই।
ডাউনলোড লিংক >http://uppit.com/czq4ejsc9ei7/ICare_Data_Recovery_Full.exe
বলতে গেলে চমৎকার একটি ডাটা রিকোভারি সফ্টওয়্যার ।
 
************************************************************************************

ইউএসবি ডিভাইস নিরাপদে বের করুন................!

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ইউএসবি ডিভাইস যুক্ত করলে সবার নিচে ডানে Safely remove অপশন আসে ।
অনেক সময় ভাইরাসের কারনে এই অপশনটি হারিয়ে যায়।
এরকম  হলে  Start/Run-G গিয়ে rundll32 shell32.dll,Control_RunDLL hotplug.dll  লিখে ইন্টার চাপুন।
এরপর থেকে নিরাপদে ইউএসবি ড্রাইভ অপসারন করার জন্য Safely remove অপশনটি  পাবেন।

পেনড্রাইভের কিছু সমস্যার সমাধান নিন !!!

 

পেন-ড্রাইভ নিয়ে সমস্যা। এই পোস্টে আমি কিছু উল্লেখযোগ্য সমস্যার সমাধান দিতে চেষ্টা করব। আমার সাথে থাকুন এবং সমস্যা অনুযায়ী সমাধান দিতে চেষ্টা করছি।
প্রয়োজনীয় যা যা লাগবেঃ
১. ভালো এন্টি-ভাইরাস নতুন আপডেটসহ (এই ক্ষেত্রে আপনার পছন্দসই এন্টি-ভাইরাস নিতে পারেন)
২. ভালো Malware/Adware/Spyware/Trojan Removal Tool নতুন আপডেটসহ (আমার ক্ষেত্রে Malwarebytes’ Anti-Malware)
৩. আপনার কম্পিউটারের regedit.exe (Registry Editor)
৪. ভালো ফরমেট করার সফটওয়্যার (আমার ক্ষেত্রে HP USB Disk Storage Format Tool)
৫. সবচেয়ে জরুরীঃ
৬. এবং, আপনার সাবধানতা (নির্দেশাবলীতে যা বলা হয়েছে তা সঠিকভাবে অনুসরণ করা)


সমস্যাঃ
১.




২.



৩.



উপরের সমস্যাগুলোর ৩টি ৩ কারণে হয়ে থাকেঃ
১ নম্বর ছবির সমস্যা সাধারণত হয়ে থাকে আপনার পেন-ড্রাইভ রাইট-প্রটেকসন সুইচ অন থাকার কারনে অথবা, আপনার কম্পিউটারে “StorageDevicePolicies” না থাকার কারনে।
২ নম্বর ছবির সমস্যা সাধারণত হয়ে থাকে আপনার কম্পিউটারে Registry (regedit.exe) তে ‘WriteProtect’ on থাকার কারনে।
৩ নম্বর ছবির সাধারণত হয়ে আপনার কম্পিউটার থেকে পেন-ড্রাইভ সঠিকভাবে Eject করার কারনে অথবা, আপনার পেন-ড্রাইভ-এ Firmware-গত সমস্যার কারনে।

সমাধানঃ
ছবি ১ এবং ২ –এর জন্য প্রযোজ্যঃ
১) ক্লিক Start-> Run.
২) টাইপ regedit.exe এবং enter চাপুন
৩) এখন HKEY_LOCAL_MACHINE -> SYSTEM -> CurrentControlSet -> Control  -> StorageDevicePolicies (এখন আপনার রেজিস্ট্রিতে যদি StorageDevicePolicies না থাকে ৬ নম্বর নির্দেশনাতে চলে যান।
৪) Right-Click ‘WriteProtect’ -> Modify
৫) এখন আপনার Value-তে 1 থাকে তাহলে 0 করে দিন। OK করুন।
ছবিটি ১-৫ এর জন্য প্রযোজ্যঃ


৬) কিভাবে StorageDevicePolicies তৈরি করবেন?
  • Start -> Run -> regedit.exe -> HKEY_LOCAL_MACHINE \ SYSTEM \ CurrentControlSet \ Control key
  • এখন Control key  এর উপর Right-Click করুন।
    • New -> Key (Menu থেকে)
    • টাইপ “StorageDevicePolicies
    • এই অবস্থায় উপরের Menu থেকে Edit > NewDWORD Value সিলেক্ট করুন।
    • নতুন Value-টিকে ‘WriteProtect’ নাম দিন।
    • Right-Click ‘WriteProtect’ -> Modify
    • এখন আপনার Value-তে 1 থাকে তাহলে 0 করে দিন। OK করুন।
    • Regsitry Editor থেকে বেরিয়ে আসুন এবং কম্পিউটার Restart দিন।
ছবিটি ৬ নম্বরের জন্যঃ

সতর্কতাঃ
আপনি ControlSet001 এবং ControlSet002, ‘Control’-এ দেখতে পেলে, সেই খেত্রে আপনাকে একইভাবে ‘WriteProtect’ Value পাল্টাতে হতে পারে।
একইভাবে আপনি যেকোনো External Hard-drive, USB-Drive-এর Write Protection উঠাতে পারবেন।
সহজ উপায়ঃ  http://www.mediafire.com/?x1awjw07bhab76b ডাউনলোড করে, রান করুণ। তারপর, কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।
৩ নম্বর সমস্যার জন্য আপনাকে এই রিপেয়ার টুলঃ (সব মডেলের পেন-ড্রাইভের জন্য)
রিপেয়ার করার আগে সব ডাটা ব্যাকআপ করে নিবেন।
সমস্যাঃ আরেকটি সমস্যার কথা ইদানিং অনেকেই উল্লেখ করছেনঃ “মেমোরি কার্ড লক হয়ে যাচ্ছে”।
সমাধানঃ এই সফটওয়্যারটিঃhttp://www.mediafire.com/?hgd08h1vfjecl2gডাউনলোড করে রান করুণ। তারপর, আনলক করতে পারবেন। (বিঃদ্রঃ আনলক করলে আপনার মেমোরি কার্ডের সব ডাটা হারাবেন।)

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

পেনড্রাইভের পারফরম্যান্স সতেজ করবে Usbfresher !!!

আপনি যখন আপনার প্রেনড্রাইভটি পিসিতে সংযুক্ত করেন তখন আপনার অজান্তেই নানা ধরনের অপ্রয়োজনীয় সিস্টেম ফাইল (যেমন thumbs.db, .trashes, .ds_store ইত্যাদি) আপনার পেনড্রাইভে জমা হয়। এর ফলে প্রেনড্রাইভের পারফর্মমেন্স কমে যায়।তবে Usbfresher নামক একটি সফটওয়্যার দিয়ে আপনি এসব ফাইল অটোমেটিক বা ম্যানুয়েলি ডিলিট করতে পারেন। আর এই সফটওয়্যারটিতে কমন ফাইলগুলোর লিস্ট দেয়া থাকে যা গুলো অটো ডিলিট হয়ে যাবে।চাইলে আপনি ইচ্ছামত ফাইল এর এক্সেটশন যোগ করতে পারবেন। কাজের এই সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনার কম্পিউটারের লোকাল ড্রাইভটিও অপ্রয়োজনীয় ফাইল সরাতে পারবেন। সফটওয়্যারটি এই লিংক থেকে ডাওনলোড করে নিন-
http://www.affinity-tools.com/usbfresher/


************************************************************************************

Friday, May 24, 2013

কিভাবে এখন Recycle Bin থাকবে Taskbar এ ???

(শুধু মাত্র WINDOWS 7 এর জন্য ।) 

কিভাবে Desktop স্কিন থেকে Recycle Bin কে সরিয়ে নেওয়া যায় Taskbar এ আমরা আমাদের কম্পিউটার এর স্কিন সবসময় পরিস্কার রাখতে চাই । কম্পিউটার এর স্কিনে যত কম জিনিস থাকবে ততই সুন্দরর্য বারে কম্পিউটার স্কিন এর । এবং লোড ও কম পরে । পোস্ট টি পরে আপনার যদি কোন কাজে আসে তাহলে অবশ্যই মন্তব্য করবেন । আপনার   মন্তব্যই এনে দেয় আমার কষ্ট করে লেখা পোস্ট এর সার্থকতা । তাহলে চলুন কিভাবে কি করব তা দেখে নেই ।

প্রথমে Taskbar থেকে রাইট বাটন চেপে Toolbars > New toolbar… 

(নিচের ছবি দেখুন)

 1

তারপর এই কোডটা  Past করুন %userprofile%\AppData\Roaming\Microsoft\Internet Explorer\Quick Launch
Select Folder চাপুন ।
(নিচের ছবি দেখুন)2

লক্ষ্য করুন TaskbarQuick Launch এসে পরেছে । Quick Launch এর উপর রাইট বাটন চেপে Lock the taskbar  এর টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন ।
কিছু একটা পরিবতন হয়েছে ।
(নিচের ছবি দেখুন)

 3

আবার Quick Launch এর উপর রাইট বাটন চেপে  open foldar এ চাপুন । দেখুন Recycle Bin আছে কিনা । যদি না থাকে তাহলে Desktop স্কিন থেকে Recycle Bin টেনে এনে open foldar এ ছেরে দিন । রিনেম করে – Shortcut লেখা টুকু বাদ দিন ।
(নিচের এনিমিশন দেখুন)

 4

লক্ষ্য করুন Quick Launch এর পাশে ((>>))) এই চিহ্ন আছে । এতে ক্লিক করুন । আনেক ধরনের আইকন দেখতে পাবেন , এখন দেখুন এখানে Recycle Bin আছে  ।
Recycle Bin কে টেনে list এর সবার উপরে দিন ।

(নিচের ছবি দেখুন)

 5

Quick Launch এর উপর রাইট বাটন চেপে Show text, Show title , এর টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন । আবার একই কাজ করে View এ আপনার Recycle Bin এর সাইজ কেমন হবে তা দিন । আমি বড় টা দিছি ।
(নিচের ছবি দেখুন)

  6

যদি ঠিক মতন এই কাজ টুকু হয় তাহলে  আবার Taskbar উপর রাইট বাটন চেপে Lock the taskba  এর টিক চিহ্ন  দিন ।

এবার আপনার তৈরি করা Recycle Bin এর উপর রাইট বাটন চেপে Empty Recycle Bin এ কাজ শুরু করুন ।
(নিচের ছবি দেখুন)

  7===================================================================================
dc34ah1





 *************************************************************

আপনার হার্ডডিস্ক স্ক্যান করবেন কিভাবে ???

 

কিভাবে আপনার হার্ডডিস্ক স্ক্যান করবেন এবং ফিক্স করবেন ।
১. মাই কম্পিউটার ওপেন করেন

(নিচের ছবির মতো)


২. হার্ড ড্রাইভ -এর উপরে রাইট ক্লিক করে ……… Properties সিলেক্ট করেন।



৩.টুলস থেকে চেক নাও এ ক্লিক করুন
Automatically fix file system errors” and “Scan for and attempt recovery of bad sectors”.
স্টার্ট এ ক্লিক করেন ………



ক্লিক করুন Yes.

Restart করুন কম্পিউটার,



এখন কম্পিউটার কে Restart করার সাথে সাথে দেখবেন হার্ডডিস্ক স্ক্যান হওয়া শুরু হইছে ।
ফিনিশ শেষ না হওয়া তক কিছু  করবেন না।

কম্পিউটার ওপেন হলে Run গিয়ে CHKDSK করেন। দেখেন এখন আবার স্ক্যান হচ্ছে।

======================================================================

Windows Stratup এর সময় ডিস্ক চেকিং এর সমস্যা এড়িয়ে যান।

পিসি ঠিকভাবে Shut Down করা না হলে, কিংবা কোন সমস্যার কারনে পিসি Restart নিলে, পরবর্তীতে Windows Stratup এর সময় ডিস্ক চেকিং চায়। ডিস্ক চেকিং করে নিলে তা ড্রাইভের জন্য ভালো।
কিন্তু চেকিং এর কারনে Windows চালু হতে অনেক সময় নেয়।
আবার অনেকের ঠিকভাবে Shutdown করার পরও প্রতি Stratup এ  ডিস্ক চেকিং চায়।
সেক্ষেত্রে আমরা এই ডিস্ক চেকিংকে এড়িয়ে যেতে চাই।
এই পদ্বতিটি একদম সহজ।
প্রথমে Start ক্লিক করুন > Run > তারপর টাইপ করুন CMD, এবার Enter চাপুন।
তারপর একটি Windows আসবে
সেখানে টাইপ করুন chkntfs /x c: তারপর Enter চাপুন
এরপর PC Restart দিন। স্বাভাবিক ভাবে পিসি Start হবে, কোনো ডিস্ক চেকিং চাইবে না।
কিন্তু অনেক সময় পিসিতে Error Message দিয়ে ডিস্ক চেক করতে বলে, তখন ডিস্ক চেক করার প্রয়োজন হয়ে পরে। সেক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে তা হল।
Start > Run > CMD > type chkdsk c: /r
আপনি যদি অন্য কোন ড্রাইভ চেক করতে চান তবে c: পরিবর্তে ঐ ড্রাইভটি (Exm: d: or e:) দিন।

********************************************************************************

Thursday, April 25, 2013

হটাৎ করে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয় যে কারণে (নতুন দের জন্য)

n.com (3)
কম্পিউটার অনেক সময় হঠাৎ করেই রিস্টার্ট নেয়এতে অনেক জরুরি কাজও অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় নষ্ট হয়ে যায়কাজটি আবার নতুন করে শুরু করতে হয়একটু সচেতন হলেই এভাবে কম্পিউটার রিস্টার্ট হওয়ার সমস্যা এড়ানো সম্ভব
n.com
কম্পিউটার প্রসেসরের চারপাশে খোলা জায়গা না থাকলে এর স্বাভাবিক তাপ বের হতে পারে নাফলে এর কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বা সিপিইউ গরম হয়ে যায়আর নির্দিষ্ট তাপমাত্রার বেশি হলেই সিপিইউ কাজ করা বন্ধ করে দেয়ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয়
n.com (4)
সিপিইউয়ের আশপাশে একটু খোলা জায়গা রাখলেই এসমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়অনেক সময় পেনড্রাইভ বা এক্সটার্নাল ড্রাইভসংযোগ দিলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয়এ ক্ষেত্রে সমস্যাযুক্ত ডিভাইসকম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত করা ঠিক নয়
n.com (2)
ভাইরাসের আক্রমণেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে ক্ষেত্রে ভালো কোন অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবেঅ্যান্টিভাইরাস সবসময় আপডেট করবেন অপারেটিং সিস্টেম পুনরায় ইনস্টল করেও এর সমাধান সম্ভব
n.com (1)
রেমন্ডম অ্যাক্সসে মেমোরি বা রেমের সমস্যার কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয়কম্পিউটারে যে রেম লাগানো আছে সেটি যদি মাদারবোর্ড সমর্থন না করে অথবা রেমের কোন চিপ নষ্ট থাকে, সে ক্ষেত্রে কম্পিউটার রিস্টার্ট নেবে
হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লেও একই ধরনের সমস্যা হতে পারেএ ক্ষেত্রেস্ক্যানডিস্কদিয়ে হার্ডডিস্ক স্ক্যান করে নিতে হবেএতে হার্ডড্রাইভের ব্যাড সেক্টর সমস্যা দূর হবে

==================================================================

Wednesday, April 24, 2013

স্টার্ট মেনু থেকে তথ্য খোঁজা

দরকারি নানা তথ্য খুঁজতে এবং নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান নিতে ইন্টারনেটে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের (গুগল, ইয়াহু ) ব্যবহার করা হয়। এ ক্ষেত্রে ওই সাইটের ঠিকানায় গিয়ে তথ্য খুঁজে নিতে হয়। ছোট একটি কাজের মাধ্যমেই নির্দিষ্ট ওয়েব ঠিকানায় না গিয়ে উইন্ডোজের স্টার্ট মেনুতে কাঙ্ক্ষিত বিষয় লিখে এন্টার করলে তথ্য পাওয়া যাবে।
এ কাজটা করা যায় উইন্ডোজ ভিস্তা ও ৭ অপারেটিং সিস্টেমে। কাজটি করতে start থেকে run-এ গিয়ে gpedit.msc লিখে এন্টার করুন। এখানে বাঁ দিকের তালিকার User Configuration থেকে Administrative Templates/Windows Components-এ গিয়ে Instant Search-এ ক্লিক করুন। এবার ডানের তালিকা থেকে custom instant search internet search provider-এ দুই ক্লিক করে সেটি খুলুন।
এবার enabled বোতাম নির্বাচন করে The String or dll resource…Instant Search Menu ঘরে Search at Google লিখুন। The URL to use when… indicated by %w ঘরে হুবুহু www.google.com/search ঠিকানা লিখে apply এবং OK চেপে বের হয়ে আসুন। এবার run-এ গিয়ে cmd লিখে এন্টার চেপে কমান্ড প্রম্পট চালু করুন।
এখানে gpupdate/force লিখে এন্টার চাপুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে কাজটি সম্পন্ন হয়ে একটি বার্তার মাধ্যমে তা জানিয়ে দেবে। এবার কাজটি পরীক্ষা করার জন্য স্টার্ট মেনুর Search ঘরে কাঙ্ক্ষিত বিষয় লিখে Search at Google বোতাম চাপুন। ইন্টারনেট ব্রাউজার খুলে যাবে এবং ওই বিষয়ের তথ্য সরাসরি গুগল থেকে খুঁজে নিয়ে সেটার ফলাফল দেখাবে। একই নিয়মে ইয়াহু বা উইকিপিডিয়ার তথ্য খুঁজে নেওয়া যায়। এ জন্য The URL to use when… indicated by %w ঘরে ইয়াহুর জন্য http://search.yahoo.com/search উইকিপিডিয়ার জন্য http://en.wikipedia.org/wiki আলাদা ওয়েব ঠিকানা লিখে বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করলে দ্রুত তথ্য খুঁজে নেওয়া যাবে।

************************************************************************************

Friday, April 19, 2013

সহজেই পিডিএফ

খুবই সহজেই ওয়েবপেজ বা ডকুমেন্টকে পিডিএফ বানাতে পারেন। এ জন্য ডুপিডিএফ নামের সফটওয়্যারটি www.dopdf.com/quick-download.php ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নিন। এরপর ইনস্টল করুন। ইনস্টল হওয়ার পর আপনার প্রিন্টার হিসেবে doPDF v7 নামে প্রিন্টার দেখাবে।
আপনার তৈরি যেকোনো ডকুমেন্ট বা ওয়েবপেজ খুলে যে অংশ পিডিএফ করতে চান, সেটি নির্বাচন করে Ctrl+P চেপে প্রিন্টার হিসেবে ওই প্রিন্টারটি দেখিয়ে দিন এবং কতগুলো পেজ পিডিএফ করতে চান, তা নির্ধারণ করে OK ক্লিক করুন।
এরপর কী নামে সেভ করতে চান, তা লিখে দিয়ে অথবা Ok ক্লিক করুন। এবার দেখুন, আপনার তৈরি করা ফাইলটি পিডিএফ হয়ে গেছে।


===========================================================================

যেকোনো ড্রাইভে সফটওয়্যার ইনস্টল

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে সফটওয়্যার ইনস্টলেশনের জন্য আগে থেকেই (বাই ডিফল্ট) নির্দিষ্ট জায়গা হিসেবে C:/Program Files নির্বাচন করা থাকে। অনেক সময় হার্ডড্রাইভে জায়গার স্বল্পতা বা নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হলে আবার ওই কম্পিউটারে সফটওয়্যার ইনস্টল করা বেশ ঝামেলাদায়ক। আপনি চাইলেই সফটওয়্যারগুলো C:/ ড্রাইভে না রেখে অন্য যেকোনো ড্রাইভে রাখতে পারেন। এ জন্য উইন্ডোজের নির্ধারিত ইনস্টলেশনের জায়গা পরিবর্তন করতে হবে।
Start থেকে Run-এ গিয়ে regedit লিখে রেজিস্ট্রি এডিটর চালু করুন। এবার HKEY_LOCAL_MACHINEOFTWARE/Microsoft/WindowsurrentVersion WW খুঁজে নিয়ে এখানের তালিকায় থাকা ProgramFilesDir-এ দুই ক্লিক করে সেটি খুলুন। এবার যে ড্রাইভে সফটওয়্যার ইনস্টল করতে চান Value data ঘরে সেটির ঠিকানা (যেমন D:/Program Files ) লিখে OK করে বের হয়ে আসুন। এখন থেকে যখনই নতুন সফটওয়্যার ইনস্টল করা হবে সেগুলো নির্ধারিত জায়গায় ইনস্টল হবে। কম্পিউটারে নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করলে আবারও ডিফল্ট ইনস্টলের জায়গা (C:/Program Files) পরিবর্তিত হয়ে যাবে। তাই অন্য সব সফটওয়্যার ইনস্টল করার আগে এ কাজটি করে দিলে ইনস্টল থাকা আগের সফটওয়্যার দিয়েই দরকারি কাজ সারা যায়।

*************************************************************************************

Tuesday, April 9, 2013

কম্পিউটার চালু এবং বন্ধ হবে দ্রুত

অনেক সময় ধারণক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার করলে কম্পিউটার চালু এবং বন্ধ হতে বেশি সময় লাগতে পারে।ছোট কিছু সেটিংসের পরিবর্তন করে চালু এবং বন্ধ হওয়ার সময় কমানো যায়।
উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে Start মেনু থেকে Run-এ গিয়ে msconfig লিখে এন্টার করুন। Startup ট্যাব থেকে অপ্রয়োজনীয় স্টার্টআপ প্রোগ্রাম বা আইটেমগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিন। এই তালিকার আইটেমগুলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লোড হয়। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম লোড হওয়ায় কম্পিউটার চালু হতে সময় নেয়। তাই যেগুলোর প্রয়োজন নেই, সেগুলোর ডান দিকের টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK এবং Apply করে বের হয়ে আসুন।
কম্পিউটার আবার চালু বা রিস্টার্ট করতে চাইলে Exit Without Restart নির্বাচন করে সেটি এড়িয়ে যান। এবার Notepad খুলে del c:/windows /prefetch/ntosboot *.* (*.* হচ্ছে এ-সংক্রান্ত সব ফাইল মুছে ফেলবে) কোডটা লিখে ফাইল থেকে Save As চেপে ntosboot.bat নামে ডেস্কটপে সংরক্ষণ করুন। এবার ডেস্কটপ থেকে ntosboot.bat ফাইলটি কপি করে C:/ ড্রাইভে পেস্ট করুন।
Start থেকে Run-এ গিয়ে gpedit.msc লিখে এন্টার করুন। Computer Configuration থেকে Windows Settings-এ ক্লিক করে Scripts (Startup/Shutdown)-এ আবার ক্লিক করে সেটি খুলুন। ডান পাশের Shutdown-এ দুই ক্লিক করে সেটি খুলে Add-এ ক্লিক করে Browse থেকে C:/ ড্রাইভে গিয়ে ntosboot.bat ফাইলটি দেখিয়ে দিয়ে OK চেপে Apply-এ ক্লিক করে আবার OK চেপে বের হয়ে আসুন।
এবার Run-এ গিয়ে devmgmt.msc লিখে এন্টার করুন। এখানে IDE ATA/ATAPI controllers-এ দুই ক্লিক করে Primary IDE Channel খুলুন। Advanced Settings থেকে Device 1-এর Device Type-এ None নির্বাচন করে OK চেপে বের হয়ে আসুন। এর পরের Secondary IDE channel-এ দুই ক্লিক করে সেটি খুলে একই নিয়মে Advanced Settings থেকে Device 1-এর Device Type-এ None নির্ধারণ করে OK চেপে বের হয়ে আসুন। সব কাজ যত্ন সহকারে করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে হবে। এখন থেকে প্রত্যেকবার কম্পিউটার চালু এবং বন্ধ হতে আগের তুলনায় অনেক কম সময় লাগবে।

***********************************************************************************

Monday, April 8, 2013

ওয়াইফাই হ্যাকিং !!!!! বিষয়টা কি এতটাই কঠিন??

বর্তমানে ওয়াইফাই সন্দেহাতীত ভাবে একটি প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। ওয়াইফাই এর মাধ্যমে এনক্রিপ্টেদ তথ্য বাতাসের মধ্যে দিয়ে চলে যায়। কিন্তু আপনি টা জানতেও পারেন না । WEP (Wired Equivalent Privacy) ছিল প্রথম নিরাপদ এন ক্রিপ্সন পদ্ধতি। কিন্তু WPA , WPA-PSK (Works Progress Administration) ইত্যাদি পদ্ধতি এর জায়গা দখল করে নিয়েছে । সাধারনত WEP wifi ক্র্যাক করতে 5-6 ঘণ্টা সময় লাগে। কিন্তু ভাল সিগন্যাল পেলে আর ও কম  সময় এর মধ্যে করা যায় ।
Tools to Be Used
আমরা ওয়াইফাই হ্যাক করতে ২ টি টুল ব্যবহার করব।
1. Commview For Wifi
এটি একটি প্যাকেট স্নিফিং টুল । মানে এটি ওয়াইফাই তে প্রবাহিত হওয়া ইন্টারনেট প্যাকেট গুলো ধরে এবং জমা করে । যত প্যাকেট জমবে তত WEP. হ্যাক করার সুযোগ বেড়ে যাবে ।  আমাদের কমপক্ষে ১০০০০ প্যাকেট লাগবে ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড ভাঙ্গার জন্য
packet গুলো আসবে .ncp ফরমেটে  । আমরা একে .cap ফরমেটে বদলে নেব ।
আমি এই টিউটোরিয়ালে উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করেছি । আপনি অন্য কোন সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন।  কিন্তু আপনার ওয়াইফাই কার্ড সাপোর্ট না করলে virtual machine এ উইন্ডোজ ৭ ইন্সটল করে নেবেন।
2.Aircrack-Ng GUI :
এই সফটওয়্যার এর সাহায্যে আমরা ফাইল কে .cap ফরমেটে নিয়ে যাব । এগুলো নিচের লিঙ্ক থেকে নামিয়ে নিন ।
Commview For Wifi >http://www.tamos.com/download/main/ca.php
Aircrack-Ng GUI> http://www.aircrack-ng.org/
মনে রাখবেন এই সফটওয়্যার গুলো চালাতে হলে আপনাকে কম্পিউটার এ adminstrator mode এ কাজ করতে হবে ।
LET THE HACKING BEGIN !!!!
প্রথমে commonview সফটওয়্যার টি ইন্সটল করুন । আপনি voip বা standerd যে কোন মোড এ ইন্সটল করতে পারেন । আমি voip দিয়ে করেছি। এটি automettically  প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করতে থাকবে।
আপনি এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে কোন নেটওয়ার্ক এ যুক্ত হতে পারবেন না। এটি সুধু হ্যাকিং টুল ।
এখন সফটওয়্যার চালু করে বামদিকের প্লে আইকন এ ক্লিক করুন ।
wifi1
একটি নতুন উইন্ডো ওপেন হবে ।  সেখানে start scanning বাটনে ক্লিক করুন ।
wifi2
এখন ডান দিকের উইন্ডো তে আপনি অনেকগুলো নেটওয়ার্ক দেখতে পাবেন । ইচ্ছামত যে কোন একটি কে সিলেক্ট করুন এবং capture বাটনে ক্লিক করুন ।
wifi3
এই  টিউটোরিয়াল এ আমি WEP protected network হ্যাক করা দেখাচ্ছি। তাই wep এন ক্রিপ্টেড নেটওয়ার্ক সিলেক্ট করবেন ।
সব উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে এবং আমরা দেখব commonview প্যাকেট ক্যাপ চার করা শুরু করে দিয়েছে
wifi4
প্যাকেট ক্যাপ চার হচ্ছে এখন আমাদের সেগুলো সেভ করতে হবে। এর জন্য
Click on Settings->Options->Memory Usage

Change Maximum Packets in buffer to 20000
wifi5

এবার LOGGING Tab  সিলেক্ট করে   AUTO-SAVING এ টিক দিন ।
এবার Maximam Directory তে ২০০০ এবং  Log File Size এ ২০ লিখে দিন
wifi6
এখন commonview ২০ মেগাবাইট আকারে  প্যাকেট সংগ্রহ করতে থাকবে .ncp ফরমেটে ।  এই ফাইল  আপনি যে directory তে সেভ করেছেন সেখানে জমা হবে ।
এখন যেহেতু আপনি অনেক লগ জমা করছেন তাই এগুলো কে একটি ফাইল এ কম্পাইল করতে হবে এর জন্য Logging Tab  এর  CONCATENATE LOGS. এ যান এবং একটি ফাইল এ পরিনত করুন ।
করা শেষ হলে .ncf  ফরমেটে আমরা একটি ফাইল পাব।
AIRCRACK-NG কে ইন্সটল করুন এবং আমরা যে একটি ফাইল পেয়েছি সেটিকে .cap এ রুপান্তর করতে হবে । এটা করার জন্য
AIRCRACK-NG তে যান এবং
Click on File->Log Viewer->Load Commview Logs-> Choose the .ncf file ,

Now File->Export->Wireshark/TCP dump format .
PART 2 AirCrack-NG
এই অংশ খুব সহজ। AirCrack folder খুলুন এবং Bin->Aircrack-ng GUI.exe  লোকেসান এ যান এবং GUI  এ .Cap file  বসান এবং Next->Next->Next
এখন তার সব তথ্য যেমন সে দিনে কয় মেগাবাইট নেট ব্যবহার করে , তার ওয়াইফাই ইউযারনেম, পাসওয়ার্ড সব আপনি পেয়ে যাবেন । কিন্তু কয়েক ঘন্টা ও লাগতে পারে ।

**************************************************************************************

Sunday, April 7, 2013

পেনড্রাইভের ভাইরাস মুছে ফেলুন

দৈনন্দিন নানা কাজে এক কম্পিউটারের তথ্য অন্য কম্পিউটারে পেনড্রাইভে করে বিনিময় করার প্রয়োজন পড়ে। এই কাজে বাদ সাধে কম্পিউটার ভাইরাস। কখনো এমন ভাইরাসের কবলে পড়ে দরকারি অনেক ফাইল হারাতে হয়। ছোট একটি কাজের মাধ্যমে এ থেকে উত্তরণ পাওয়া যায়। আক্রান্ত পেনড্রাইভ কম্পিউটারে সংযোগ করে start থেকে run-এ গিয়ে cmd লিখে এন্টার করুন। আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার (যেমন H: ) লিখে এন্টার চাপুন। এবার CTRL+ALT+DEL কী একসঙ্গে চেপে টাস্ক ম্যানেজার চালু করুন। এখানে Process থেকে Explorer.exe-তে মাউসের ডান ক্লিক করে End Process চেপে সেটি বন্ধ করুন। এখানের তালিকায় থাকা অপ্রয়োজনীয় এবং যে প্রসেসগুলোকে আপনি চিনতে পারবেন না সেটিও আগের নিয়মে বন্ধ করে দিন। নয় তো সক্রিয় হওয়া ভাইরাসগুলো মুছে ফেলা যাবে না। এবার কমান্ড প্রমোটের ঘরে dir/ah লিখলে পেনড্রাইভের লুকিয়ে থাকা ফাইল দেখা যাবে। এগুলোকে সব সময়ে দেখার জন্য attrib -h -s -r *.* লিখে এন্টার করলে সব ফাইল দৃশ্যমান হবে। এবার কাজ হবে এই ফাইলগুলোকে মুছে ফেলার। কমান্ড ঘরে del লিখে যে ফাইল মুছতে চান সেটির নাম লিখে এন্টার চাপুন (del autorun.inf)। ফাইলের নাম বড় হলে প্রথম অক্ষর লিখে কিবোর্ড থেকে Tab বোতাম চাপলে ওই ফাইলের পুরো নাম চলে আসে। এভাবে সন্দেহজনক ফাইল মুছে ফেলে পেনড্রাইভ পিসি থেকে খুলে আবার লাগান। টাস্ক ম্যানেজারের File থেকে New Task-এ গিয়ে explorer লিখে এন্টার চাপলে আগের স্বাভাবিক কাজগুলো করতে পারবেন। পেনড্রাইভের ফাইল দেখতে আপনার কম্পিউটারের যেকোনো ইন্টারনেট ব্রাউজারে গিয়ে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার লিখে এন্টার করলে ওই পেনড্রাইভের সব ফাইল দেখা যায়। এতে করে কম্পিউটারে ভাইরাস ঢোকার হার কম।
********************************************************************************
=========================================================================

Wednesday, April 3, 2013

!! সাবধান আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হতে পারে !!

ফেসবুক  বর্তমানে এক আতংক হয়ে গেছে !! জানা নেই বলা নেই কওয়া নেই, হুট করে ম্যাসেজ গেল অন্যের অয়ালে আপনার নামে, এখন সে নিশ্চয় ম্যাসেজটি পড়বে কারন আপনি তার চেনা জানা, আর সেই ম্যাসেজটি পড়াই আপনার জন্য কাল হয়ে দাড়ালো, বা আপনি নিজেও পড়তে চাইলেন আপনার চেনা সেই ব্যাক্তির ম্যাসেজটি, এটাই আপনার জন্য বিপদের কারন! এবং আপনি হারাতে পারেন, আপনার ফেসবুক একাউন্টটি! এর থেকে বাঁচতে হলে এবং কি ভাবে বাঁচবেন একটু কস্ট করে এখানে চোখ বুলিয়ে নিন!!
 
মুলত ঠিক এই সময়টাতে ফেসবুকে ৪টা ভাইরাস খুব শক্ত ভাবে আঘাত করছে!!

১- আপনি যদি কোন ফটো ট্যাগ নোটীফেকশন দেখেন, এটি দেখতে চেস্টা করবেন না, পড়ে থাকতে দিন!!
২- আপনি যদি কোন  A Friend Reported You For Offensive Behavior  বা এই ধরনের কিছু নোটিফেকশন দেখেন, এটি ও দেখতে চেষ্টা করবেন না!!
৩- আপনি যদি কোন ভিডিও তে ৯৯% Off Pepole Can Not Watch This For More Then 15 Sec. এই জাতীয় বা এই ধরনের কোন লিখা দেখেন এটি ও দেখতে চেষ্টা করবেন না!! এড়িয়ে যাবেন
৪- আপনার বন্দুদের চ্যাট ম্যাসেজ থেকে আসা জাতে লিখা থাকবে clik this link, এটি ও দেখতে চেষ্টা করবেন না!

এ ভাবে বা এ জাতীয় সকল ম্যাসেজ নোটিফেকশন বা ট্যাগ থেকে যদি ক্লিক না করে থাকতে পারেন তাহলে ই ১০০% সেভ থাকবে আপনার একাউন্ট!!

*******************************************************************************
*******************************************************************************
*******************************************************************************

নিজেই তৈরি করুন QR barcode।

QR barcode কীঃ 

QR মানে Quick Response । QR barcode স্মার্টফোন দ্বারা পাঠযোগ্য । এর মাধ্যমে লেখাকে সাংকেতিক রুপে প্রকাশ করা হয় । এর মাধ্যমে আপনি text, url, phone number, এগুলো কোড এ পরিণত করতে পারবেন । যেমন: প্রথম আলো পত্রিকায় অনেক সময় প্রথম আলো অ্যাপ্লিকেশান নেওয়ার জন্য বিজ্ঞাপন। সেখানে লিঙ্ক দেওয়া থাকে আর QR barcode থাকে । আপনার সেই লিঙ্ক লিখতে কিছুটা সময় লাগবে অনেক সময় ভুল ও হতে পাতে । আপনি যদি তার বদলে বারকোডটা স্ক্যান করেন তাহলে মুহূর্তেই লিঙ্ক আপনার স্মার্টফোন এ চলে আসবে আর ক্লিক করলেই সেই লিঙ্ক এ চলে যাবে । আপনিও এরকম একটা QR barcode তৈরি করতে পারবেন।

কিভাবে তৈরি করবেনঃ 

প্রথমে এখান থেকে Extension টা Google Chrome এ Add করে নেন । এবার  extension টিতে ক্লিক করলে এরকম একটা বক্স আসবে__

এখানে আপনি আপনার পছন্দ মত লেখা লেখতে পারেন । বাংলা ও লেখতে পারবেন । আপনি যদি ফোন নাম্বার বা url ইত্যাদি দিতে চান তাহলে উপর থেকে অন্য বিভাগ সিলেক্ট করুন । লেখা শেষ হলে সাইজ ঠিক করুন । তারপর generate এ ক্লিক করুন । তাহলে দেখবেন সেটার QR barcode তৈরি হয়ে গেছে ।
qrcode
আপনি download  লেখায় ক্লিক করলে ডাউনলোড হয়ে যাবে । আপনি যদি লেখাটি আপনার স্মার্টফোন এ থাকা বারকোড স্কানের দ্বারা স্ক্যান করুন , তাহলে আপনি আপনার লেখাটি দেখতে পারবেন । তবে এর জন্য অবশ্যই আপনার কাছে বারকোড স্ক্যানার থাকতে হবে , যা আপনি গুগল প্লে তে খুব সহজেই পেয়ে যজাবেন।এভাবে আপনি আপনার বন্ধুর সাথে যে কোন লেখা বা লিঙ্ক শেয়ার করতে পারবেন।

╔══════════════ஜ۩۞۩ஜ═════════════════╗

নিয়ে নিন নতুন ও মজার কপিয়ার ExtremeCopy [হাইস্পিডে ডাটা ট্রান্সফার করুন]

নিয়ে নিন নতুন ও মজার কপিয়ার ExtremeCopy [হাইস্পিডে ডাটা ট্রান্সফার করুন]

ExtremeCopy
Share Button

আমরা সবাই কম বেশি ফাইল ট্রান্সফার করি আর এই জন্য দরকার হয় ভাল একটা কপিয়ার যার দ্বারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাংকিত ট্রান্সফার টি করা যায়।অনেকেই অনেক ধরনের কপিয়ার ব্যাবহার করছেন তারপরেও আরেকটু ভাল বা দ্রুততা মাধ্যমে কাজ করার জন্য অন্য কপিয়ার খুঁজছেন তাদের জন্য নিয়ে এলাম একটি  কপিয়ার।কপিয়ার টির নাম Extreme Copiar আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে। আসলে আমার যা মনে হয় তা হল এক কপিয়ার বেশি দিন ব্যাবহার করলে এর প্রতি আগ্রহ কমে যায়।
extremecopy (1)
আপনারা কপিয়ার টি ডাওন লোড করে শুধু ইন্সটল করে নিন আর কিছু করতে হবে না।সফটওয়্যার টি ডাওনলোড করার জন্য আপনাকে ৪.৫ মেগাবাইট খরচ করতে হবে। এই ফাইল টি জীপ আকারে আছে তাই ডাওনলোড করার পর আনজিপ করে নিন।
সফটওয়্যার টি ডাওনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন।


==================================================================

VLC প্লেয়ার এবং Real Player দিয়ে অত্যন্ত কম স্পিডের ইন্টারনেট কানেকশানে লাইভ টিভি দেখুন

আপনারা সকলেই VLC player এবং Real player সম্পর্কে খুব ভালোভাবেই কম বেশি জানেন। তবে আপনি জানেনকী এই player গুলো দিয়ে আনেক কম স্পিড়েই ইন্টারনেটে লাইভ টিভি দেখাযায়। শুধু টিভিই নয় এমনকী ভিডিও ড়াউনলোড না করেই লাইভ দেখা যায়। নিচে এর পদ্ধতি এবং লিংক আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। ১২৮ kb/s speed হলেও লাইভ টিভি দেখা যায়।
পদ্ধতি ১. VLC Player এর জন্য: প্রথমেই VLC player-টাকে Open করুন। Open হয়ে গেলে উপরের মেনু বার থেকে Media-তে ক্লিক করুন। এবার নিচে streaming-এ ক্লিক করুন। নিচের চিত্রের মত করে….
Capture
Streaming-এ ক্লিক করার পরে নিচের মত মেনু আসবে। এখান থেকে Network-এ ক্লিক করুন এবং নিচের ছবির মতকরে link দিয়ে Stream-এ আবার ক্লিক করুন। নতুন পেজে আবার Stream-এ ক্লিক করার পর টিভি start হয়ে যাবে। একইভাবে 3gp এবং mp4 video download link কপি করে এভাবে সরাসরি অনলাইনে দেখতে পারবেন।
Capture-2
নিচে History TV -এর লাইভ সম্প্রচারের একটি দৃশ্য।
Capture4
পদ্ধতি ২. Real Player- Real player-এ একই ভাবে লাইভ টিভি দেখা য়ায়। তবে এর picture quality VLC player-এর থেকে একটু ভালো। এবার PCতে Real player থাকলে Open করুন। এবার player-এর উপরের বাম কোনাতে Real Player লিখা মনেুতে ক্লিক করুন। এর পরে Click File> Open। Open-এ ক্লিক করলে নিচের মত একটা মেনু আসবে ঐখানে নিচের ছবির মত করে link-টা দিয়ে OK করুন। এর পরে দেখুন কিছুক্ষণের মধ্যে টিভি play হবে। তবে সমস্যা হল VLC player-এর মত সব link এখানে suport করেনা।
Real Player-এর আর একটা সুবিধার কথা না-বললেই নয়। সাধারনত এধরনের TV link-গুলো Computer-এর Browserএ open হয়না তবে Real player install করা থকলে সরাসরি Open করা যায় এবং player select করা যায়।
Capture3
Capture5
নিচের এই link গুলো দিয়ে কিন্তু মোবাইলেও লাইভ টিভি দেখা যায়। নোকিয়া নতুন জাভা ইনেবল মোবাইল ফোন এবং Symphony-র Java phone গুলোতে বিশেষ কবে যেসব ফোন Yamaha Amplifier এই ফিচরিটি রয়েছে সেসব মোবাইলেও এসব link ব্যবহার করে লাইভ টিভি দেখা যায়। মোবাইলের web-browser-এ link গুলো লিখে enter করুন। এর পর যদি দেখেন আপনার mobileএর media player open হয় তবে বুঝবেন আপনার mobile phone টা দিয়ে live tv দেখা যাবে। জিপি দিয়ে Nokia mobile-এ configure setting problem দেখায় তবে Robi-তে কোন সমস্যা হয়না। Nokia 2700 classic এবং Symphony T50 এই ফোন দুইটাতে আমি test করেছি। Live TV দেখতে  Internet connection যেন Unlimited হয় নইলে মোবাইলো টাকা কেটে নেবে।
আর একটা কথা এই link গুলান দিয়ে কিন্ত Android Mobile-এও Live TV দেখা যায়। আমার এ ধরনের ফোন নাথাকায় test করে দেখা হয়নি। তবে শুনেছি MX player বা Real player থাকলে নাকী এই link গুলান Open হয়।
Link:-
1. Action TV link for mobile TV                  link:           rtsp://217.146.95.166:554/live/ch32yqcif.3gp
 
2. Sangeet Bangla HQ (Updated): Watch Shangeet Bangla TV live on mobile
                 link:   rtsp://115.112.248.159:554/prf2/cid_76.sdp
 
3. Sangeet Bangla-2: Watch Shangeet Bangla TV live on mobile
                 link:   rtsp://115.112.248.159:554/prf0/cid_76.sdp? 
 
4. Cartoon Network: Watch Cartoon Network TV live on mobile
link:    rtsp://202.125.158.232:554/stream2_wifi.sdp  
 
5.  National Geographic: Watch National Geographic TV live on mobile
                  link:    rtsp://202.125.158.233/stream3_wifi.sdp
 
6.  National Geographic HD: Watch National Geographic HD live on mobile
                   link:     rtmp://220.181.117.167/live/natgeo
Update: আজকে আমি Samsung Galaxy Y Android Phone MX player দিয়ে live TV link গুলো টেস্ট করে দেখলাম। Grameenphone Internet connection দিয়েও কোন রকম আটকা আটকী ছাড়াই live TV দেখা যাচ্ছে। য়ারা Android এ VPN use করেন তারাও free-তে কোন রকম সমস্যা ছাড়াই দেখতে পারবেন। এজন্য যেকোন linkএ Android phoner browser থেকে সরাসরি ক্লিক করেন তারপর Player হিসেবে MX-Player select করুন এরপর দেখেন মজা কত প্রকার। 3G ছাড়াই মোবাইলে লাইভ টিভি।
কোন সমস্যা হলে জানাবেন। আরও নতুন লিংক পেতে নিচের link গুলোতে যান।
Link-1: Click here
Link-2: Click here
Bangladesh VS Sri-lanka এর একমাত্র এবং শেষ T20 cricket match লাইভ দেখতে Click here


********************************************************************************
****************************** END********************************************* 

কম্পিউটারের মনিটরের কাছ থেকে আপনার চোখকে সুরক্ষা করুন !!!

Eye protector by SR

সারা দিন ও রাতের বেশীর ভাগ সময় কম্পিউটারের সামনে কাটায় । এতে আমাদের চোখের মধ্যে অবিরত মনিটরের রশ্মি আসে । বিশেষ করে রাত্রে বেলায় তা আরো বেশী রকম চোখে রশ্মি আসে । এগুলো কিন্তু চোখের অনেক ক্ষতি করে থাকে , এজন্যই একটা সফটওয়্যার দিতেছি যা এই রশ্মির তীব্রতা হ্রাস করবে এতে আপনার চোখের ক্ষতি অনেকাংশে কমে যাবে । এই লিংক থেকে নিয়ে নিন । এটা একটা RAR ফাইল । এটার ভেতরে একটা (.exe) ও একটা (.txt) আছে । এটা ডাউনলোডের পর এক্সট্রাক্ট করুন । এক্সট্রাক্ট করার সময় পাসওয়ার্ড চেয়ে বসলে পাসওয়ার্ড বক্সে ‘raihangfn’ লেখাটা বসিয়ে OK ক্লিক করুন । এবার ইনস্টল করুন । এরপর আপনার কম্পিউটারের টাইম জোন ঠিক করে নিন ।কিভাবে টাইম জোন ঠিক করতে হয় তা না জানা থাকলে প্রথমে আপনার পিসির ঘড়িতে ডাবল ক্লিক করুন । এবার আপনার আপনার সামনে একটা উইন্ডো আসবে ঐ উইন্ডোর মাঝে Time Zone নামে একটা ট্যাব আসে ঐ ট্যাবে গিয়ে আপনি “GMT +6 Dhaka” সিলেক্ট করুন এবং Apply এ ক্লিক করুন এবার দেখবেন আপনার পিসির টাইম চেন্জ হয়ে গেছে । এবার আপনার পিসির টাইমটা ঠিক করে নিন । তাহলেই কাজ শেষ । । ইনস্টল করার পর আপনার পিসির System Tray তে নতুন আইকন যোগ হবে তাতে মাউস এর Left button এ ক্লিক করুন । দেখুন এটা ছোট উইন্ডো আসবে সেখানের Change setting লিখার উপর ক্লিক করুন  এবার Set Your Location লেখার নিচের Change বাটনে ক্লিক করুন এবার ডাউনলোড করা (.txt) ফাইলের লেখাটা লোকেশনের উপর পেস্ট করুন । এবার OK  বাটনে প্রেস করুন । বাস কাজ শেষ । এছাড়া ইচ্ছেমত আলোকরশ্মির মাত্রা নির্ধারন করতে পারবেন Adjust your lighting for day and night এই অপশন দিয়ে । মজার ব্যাপার হল এই সফটওয়্যার অটোমেটিক সময় নির্ধারন করে আপনার চোখকে হেফাজত করবে। আজ আর না সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন ।

=========================================================================

Tuesday, April 2, 2013

সুন্দর সুন্দর এনিমেশন তৈরি করুন আপনি নিজেই (গিম্প দিয়ে .gif এনিমেশন তৈরি করুন)

আজকে আপনাদের কে দেখাবো কিভাবে গিম্প দিয়ে সুন্দর সুন্দর .GIF এনিমেশন তৈরি করতে পারবেন। প্রথমেই বলে নেই GIMP থথা গিম্প একটি ওপেন সোর্স সফটওয়ার যা কিনা এক্কেবারে ফ্রি !!!! এর উইন্ডোজ ,উবুন্টু এবং ম্যাক সব অপারেটিং সিস্টেমেই পাবেন। যদি আপনার কাছে এই সফটওয়ার টি না থাকে তবে এটিকে ডাউনলোড করে নিতে পারেনএই লিঙ্ক থেকে ।
আচ্ছা আসুন তাহলে টিউটোরিয়াল বিষয়ক কথায় অসি । প্রথমে আমি যেটা বলবো যে ডিজাইনিং পরিপূরণ একটি ক্রিয়াটিভ বিষয় আপনি যদি সময় দেন তাহলে অনেক ধরনের ও অনেক সুন্দর সুন্দর কাজ আপনি দেখাতে পারবেন বা করতে পারবেন।
তো প্রথমে আপনি যেটা করবেন সেটা হল গিম্প ওপেন করুন। তারপর
Ctrl+n মানে নতুন পিকচার তৈরি করার জন্যে আপনার সুবিধা মতন সাইজ সিলেক্ট করুন

আপনি চাইলে আমারটাও নিতে পারেন
তারপর fill tool টির সাহায্যে একটি ব্যকগ্রাউন্ড  নিলামএই ভাবে ।
আপনি চাইলে আমারটাও নিতে পারেন
তারপর fill tool টির সাহায্যে একটি ব্যকগ্রাউন্ড  নিলামএই ভাবে ।
 এটিকে সেভ করলাম Ctrl+s ক্লিক করে একটি আলাদা ফোল্ডারে নির্দিষ্ট একটি নাম দিয়ে ফাইল টিকে .jpg ফরম্যটে সেভ করলাম
তারপর এই উইন্ডো টি আসলো এবং প্রথম পিকচার টি সেভ  করলাম
undefined
তারপর আবার গিম্প এ গিয়ে নতুন একটি পিকচার বানিয়ে একিভাবে সেভ করলাম
undefined
একটি বিষয় মনে রাখতে হবে পিকচার গুলো কে যখন সেভ করবেন তখন কোনটার পর কোনটার স্লাইড আসবে সে হিসেবে নাম দিবেন যেমন ১২৩৪৫৬৭৮৯
তারপর যখন আপনার ছবি গুলো ক্রিয়েট করা সম্পন্য হয়ে যাবে।
undefined
তখন গিম্পের মেইন উইন্ডো  টি ক্লিয়ার করে File ট্যব -Open as Layers
undefined
তারপর আপনি যে ফোল্ডারে পিকচার গুলো সেভ করেছিলেন সেখান থেকে Ctrl+a ক্লিক করে সব গুলো ফাইল ওপেন করুন তারপর ফিল্টারস Filters ট্যব ক্লিক করে
–>
একদম শেষের দিকে দেখবেন এনিমেশন নামে একটি অপশন আছে সেখান থেকে প্ল্যে ব্যক এ ক্লিক
অর্থাৎ Filters-animetion-play back
undefined
প্লে বাটন ক্লিক করুন দেখবেন আপনার পিকচার গুলো একের পর এক এনিমেটিং হচ্ছে
এবার আবার ফাইল (file) ট্যব এ গিয়ে সেভ এজ (save as) এ ক্লিক করুন তারপর কথায় সেভ করবেন সেটা নির্বাচন করুন তাপর নাম দিন এবং .gif ফরমেটে সেভ বাটনে ক্লিক করুন কিভাবে করবেন?
undefined
 তারপর
undefined
 এই অনুযায়ীযেতে থাকুন এক্সপোর্ট এ ক্লিক করুন  তারপ
undefined
 এখানে লুপ ফরেভার মানে
–>
এনিমেশন টাকি একবার ঘুরে বন্ধ হয়ে যাবে নাকি সবসময় এনিমেটিং করতে থাকবে যদি সবসময়ের জন্যে হয় তবে চেক দিন আর মিলিসেকেন্ডের বক্সে কতো সময় ধরে এনিমেশন হবে সেটা নির্ধারণ করতে পারবেন তারপর সেভ ।
ব্যস হয়ে গেল। এবার দেখুন আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট টি পেয়েছেন কিনা ?

Facebook