Search Box

Tuesday, December 18, 2012

মুক্তি পান বিরক্তিকর spam NEwsLetter থেকে! আজীবন ফ্রেশ রাখুন Gmail Inbox!


Get Rid Of spam Newsletter!

আমরা প্রায় সবাই গুগল মেইল ব্যাবহার করি। মাজে মাজেই আমরা আমাদের ইমেইল এড্রেসটি newsletter পেতে ইউস করি। একটা সময় দেখা যায় নিউজ লেটার এ আমাদের ইমেইল বক্স ভরে যায়। এত মেইল এর ভিড়ে আসল মেইল গুলো খুজে পাওয়া যায় না! আর এই থেকে মুক্তির জন্য প্রত্যেকটি ওয়েবসাইট থেকে আলাদা আলাদা ভাবে unsubscribe করাটাও একটা জামেলার ব্যাপার। তবে একটা উপায় আছে। কেমন হবে যদি এক ক্লিক এই সব ওয়েবসাইট এর নিউজ লেটার থেকে মুক্তি পান!!?? হুম! সত্যি তাই।

প্রথমেঃ

এই ওয়েবসাইট এ যান। তারপর নিচের স্ক্রীন শট এর মতো ইমেইল অ্যাড্রেস ইনপুট করুন।

তারপর Go তে ক্লিক করুন। এর পর প্লাগ ইন টি তে লগইন করুন। এর পর নিচের ছবিতে দেয়া ধাপ গুলো অনুসরনর করুন।

একটু ওয়েট করুন। লোদিং শেষ হয়ার পর আপনার ইচ্ছা মতো নিউজ লেটার থেকে unsubscribe করুন।

লাল বিন্দুতে ক্লিক করে মুক্তি পান বিরক্তিকর স্প্যাম নিউজ লেটার থেকে!

আসা করি এটা অনেকের উপকারে আসবে!

Monday, December 17, 2012

করাপ্ট ফাইল/ছবি কিভাবে রিপেয়ার করবেন?


লোড-শেডিং অথবা, অন্যান্য সমস্যার দরুন আমাদের অনেক সময় কোন ডকুমেন্ট অথবা, ছবি-ট্রান্সফার করাপ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় আবারো নতুন করে শুরু করতে হয়।

তাই আপনাদের শেয়ার করব একটি ফ্রী সফটওয়্যার যা এই সমস্যার কিছুটা হলে ও সমাধান দিবেঃ

File Repair সফটওয়্যার ব্যাবহার করে আমরা প্রায় সব ধরণের ফাইল রিপিয়ার করতে পারবেন। যেমনঃ .doc, .docx, .docm, .rtf, .xls, .xla, .xlsx, .zip, .rar, .avi, .mp4, .mov, .flv, .wmv, .asf, .mpg, .jpg, .jpeg, .gif, .tiff, .bmp, .png, .pdf, .mdb, .mde, .accdb, .accde, .ppt, .pps, .pptx, .mp3, .wav.

তাছাড়া আপনি ফাইল সংক্রান্ত নিচের সমস্যাগুলোর ও সমাধান করতে পারবেনঃ

* file is not in a recognizable format

* unable to read file

* file cannot be accessed

* application cannot open the type of file represented by filename

* out of memory errors, or low system resources errors

ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://www.filerepair1.com/files/file-repair-setup.exe (১.০১ মেগাবাইট)

আশা করি, অনেকেই এই সফটওয়্যার থেকে উপকার পাবেন।

Tuesday, December 11, 2012

কনভার্ট করুন পিডিএফের নির্ধারিত অংশ বা ইমেজকে অন্য যে কোন ফরম্যাটে


আমাদের চাহিদা অনুযায়ী যদি কোন পিডিএফ ফাইল কে অন্য কোন ফরম্যাটে কনভার্ট করতে যাই, সে ক্ষেএে সেটা কে নিজের মত করে কনভার্ট করে নিতে পারিনা আগে বা পিছে তার একটু আধটু লেজ লেগেই থাকে বা থাকতে হয় বিশেষ করে ছবির কথাই বলছি,এক পেইজে যদি ২টি বা তার চেয়ে বেশি ছবি যুক্ত থাকে তখন সেটাকে আলাদা করতে হলে একটু হিমশিম খেতে হয়,অন্য সফটওয়্যার দ্বারা

আবার মডিফায়েড করতে হয়, এতে হয়ত বা কোয়ালিটি কিছুটা ক্ষুন্ন হতে পারে সেই ছবিটার। আর এই সফটওয়্যার টি দিয়ে একদম সহজ ভাবে সে কাজ টি সারতে পারবেন শুধুমাএ মাউস দিয়ে কারসর করে টেনে আপনি যতটুকু কনভার্ট করতে চান,

সেখানে নিয়ে মাউস ছেড়ে দেবেন এবং ইমেজ কনভার্ট এ ক্লিক করা মাএই আপনার কাজ শেষ, এ ভাবে সমস্ত টেক্সট বা অন্যান্য কনভার্টে পরিণত করতে পারবেন

এখানে দেখুন আমি পিসি হেল্প লাইন বিডি এর এই লিখা টা থেকে শুধু হেল্প কে কনভার্ট করবো ইমেজ আকারে তাই মাউস দিয়ে টেনে নিলাম এবং উপরে ক্লিক করলাম ইমেজের উপর এবং কনভার্ট ও হয়ে গেল, যেমন”

পিডিএফ থেকে এক্সেল” এমএস ওয়ার্ড” পাওয়ার পয়েন্ট” এইছ টি এম এল” অটোক্যাড” ইমেজ” ইত্যাদি… ইন্সটল শেষে ক্র্যাক করতে হবে এবং ক্র্যাক শেষে সিরিয়াল কী-দিয়ে এ্যাক্টিভ করে নেবেন আবার, হয়ে যাবে ফুল ভার্সন এবং লাইফ টাইম ব্যাবহার করার সুযোগ

সফটওয়্যার ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন

ক্র্যাক এবং সিরিয়াল কী-এর জন্য এখানে ক্লিক করুন

Sunday, December 9, 2012

লুকিয়ে ফেলুন আপনার পিসি‘র “System Properties”


মাই কম্পিউটার থেকে লুকিয়ে ফেলতে পারেন “System Properties” স্ক্রীণ। আর এটা করতে পারেন রেজিস্ট্রী এডিটরের মাধ্যমে। নিচে দেখুন:

প্রথমে Start Menu তে Click করে Run এ গিয়ে regedit লিখে এন্টার চাপুন। Registry Editor Open হবে।

এরপর HKEY_CURRENT_USER\Software\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Policies\Explorer এ যান।

এবার ডানপাশের প্যানেলে গিয়ে একটি নতুন DWORD ভ্যালু তৈরী করুন।

ভ্যালু নাম- NoPropertiesMyComputer,

ডাটা টাইপ-REG_DWORD (DWORD Value),

ভ্যালু ডাটা-(0 = Properties, 1 = No Properties

অর্থাৎ প্রোপার্টিজ অপশন মুছে দিতে ভ্যালু ডাটা 1 এবং আগের অবস্থায় আনতে চাইলে ভ্যালু ডাটা 0 ) দিয়ে Modify করুন।

ব্যস এবার Registry Editor close করে PC Restart দিন।

এবার থেকে মাই কম্পিউটারের উপর গিয়ে রাইট ক্লিক করলে পুর্বের মতন প্রোপার্টিজ অপশন আর দেখা যাবে না, এমনকি কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে System-এ ডাবল ক্লিক করেও “System Properties” দেখা যাবে না।

Wednesday, December 5, 2012

জিমেইলের মেইল রাখুন অন্য কোথাও


আপনার ই-মেইল ঠিকানায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইল, তথ্য ইত্যাদি আছে। কিন্তু কোনো কারণে যদি আপনার ই-মেইল ঠিকানাটি নষ্ট হয়ে যায় বা চুরি (হ্যাকড) হয়ে যায় এবং অনেক চেষ্টা করেও সেটি যদি পুনরুদ্ধার করতে না পারেন তখন আফসোস করা ছাড়া কিছুই করার থাকে না। অথচ, আপনি চাইলেই আপনার জিমেইলের মেইলগুলো স্থানান্তর করে রাখতে পারেন, আপনার কম্পিউটারে বা অন্য কোনো জিমেইল ঠিকানায়।

ই-মেইল অন্য কোথাও রাখতে প্রথমে http://home.zcu.cz/~honzas/gmb/gmail-backup-0.107.exe ঠিকানা থেকে ৪ মেগাবাইটের জিমেইল ব্যাকআপ সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে নামিয়ে (ডাউনলোড) ইনস্টল করে নিন। এখন সফটওয়্যারটি খুলে জিমেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড, কোথায় সেভ করতে চান, কত তারিখ থেকে কত তারিখ পর্যন্ত আসা মেইলরাখতে চান, লিখে ব্যাকআপ বাটনে ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। জিমেইলে ব্যাকআপ ফাইল তৈরি হয়ে যাবে।

আবার রিস্টোর করতে চাইলে একই পদ্ধতিতে সফটওয়্যারটি খুলে জিমেইল ঠিকানা (যে ঠিকানায় স্থানান্তর করতে চান), পাসওয়ার্ড, কোথায় থেকে স্থানান্তর করতে চান (হার্ডডিস্কের যে জায়গায় ব্যাকআপ রেখেছেন), কত তারিখ থেকে কত তারিখ পর্যন্ত স্থানান্তর করতে চান লিখে রিস্টোর বাটনে ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন।

জিমেইল অ্যাকাউন্ট নিরাপদ করুন


বিনা মূল্যে ই-মেইল সেবা জিমেইল নিরাপদ করার মাধ্যমে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইলের সুরক্ষা দিতে পারেন। জিমেইল নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রে জনপ্রিয় একটি ব্যবস্থা হচ্ছে জিমেইলের টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন। এ পদ্ধতি চালুর ক্ষেত্রে যখনই আপনি ই-মেইলে ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড দেবেন, তখন আপনার মোবাইল ফোনে একটি এসএমএস চলে আসবে। এ জন্য শুরুতে আপনাকে নিজের অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে settings\google account settings\security পাতায় যান। এখানে চারটা অপশন আছে। এগুলো হচ্ছে Changing your password, Recovering your password, Using 2-step verification, Authorizing applications & sites। এখানে Using 2-step verification অপশনে যেতে হবে।

এখানে আপনার মোবাইল ফোন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করুন। সতর্কতার জন্য বাড়তি ১০টি কোড তৈরি করা যায়, যা আপনি আপনার নিরাপদ কোনো জায়গায় সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। অনেক সময় নেটওয়ার্কের সমস্যা হলে কোড আসতে দেরি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সংরক্ষিত কোড আপনার কাজে লাগবে। এ ছাড়া বর্তমানে কোড না এলে একটি অপশন আসে, যাতে ক্লিক করলে আপনাকে ফোন করে কোড বলে দেওয়া হবে। টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করলে অনেক সময় বিভিন্ন ম্যাসেঞ্জার, অ্যাপস জিমেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে আপনি যে ম্যাসেঞ্জার ব্যবহার করবেন অথবা অ্যাপস ব্যবহার করবেন, তার জন্য আলাদা কোড তৈরি করে নিতে পারবেন। ব্যক্তিগত কম্পিউটারে একবার কোড দিয়ে নিচে থাকা বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে দিতে পারেন। এতে পরবর্তী ৩০ দিন ওই কম্পিউটারে আর কোড চাইবে না।

সিডি থেকে তথ্য পুনরুদ্ধার


অনেক সময় সিডি বা ডিভিডি পুরোনো হয়ে গেলে বা বেশি বেশি চালালে সিডির ফাইলগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তখন আর সেগুলো কপি করা যায় না। আপনার অনেক দরকারি তথ্য হয়তো কোনো সিডিতে রেখেছেন, কিন্তু সেই সিডি যদি আর না খোলে বা সেই তথ্যগুলো যদি আর পড়া না যায়, তা হলে সবই শেষ।

আপনি চাইলে ছোট একটি সফটওয়্যারের সাহায্যে সেই নষ্ট সিডির ফাইলগুলো কপি করতে পারেন। এর জন্য প্রথমে www.recoverytoolbox.com/cd.html ঠিকানা থেকে মাত্র ৬৫৫ কিলোবাইটের রিকভারি টুলবক্স সফটওয়্যারটি বিনা মূল্যে নামিয়ে (ডাউনলোড) ইনস্টল করে ওপেন করলে দেখবেন আপনার সিডি/ডিভিডি-রম ড্রাইভটি দেখা যাচ্ছে। এখন পরপর দুইবার নেক্সট-এ ক্লিক করলে দেখবেন আপনার সিডির ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে। এখন সবগুলো ফাইল কপি করতে চাইলে বাঁদিক থেকে সবগুলো বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে সেভ করুন। আবার নির্দিষ্ট কিছু ফাইল কপি করতে চাইলে বাঁদিক থেকে নির্দিষ্ট বক্সগুলোতে টিক চিহ্ন দিয়ে সেভ-এ ক্লিক করুন। ফাইলগুলো কপি হওয়ার পর সি ড্রাইভে গিয়ে দেখবেন CDRestored ফোল্ডারের ভেতর ফাইলগুলো সেভ হয়েছে এবং সেগুলো ভালো আছে।

পেনড্রাইভ থেকে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল


১০.১ ইঞ্চি বা তারচেয়ে ছোট মনিটরের নেটবুক কম্পিউটারে সাধারণত সিডি বা ডিভিডি-রম ড্রাইভ থাকে না। এখন যদি এগুলোতে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টলকরতে চান, তাহলে উপায় কী! উপায় হলো এক্সটারনাল সিডি অথবা ডিভিডি-রম ড্রাইভ ব্যবহার করা। এখন সেটি সব সময় হাতের কাছে নাও থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপনি যেটি করতে পারেন তা হলো, আপনার হাতের কাছের পেনড্রাইভটিকে কম্পিউটার চালু করার উপযোগী বা বুটেবল করে সেটি দিয়েউইন্ডোজ ইনস্টল করা।

এ জন্য প্রথমে আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটারে যুক্ত করে উইন্ডোজের স্টার্ট মেনু থেকে রান কমান্ডে গিয়ে cmd লিখে এন্টার করুন।নতুন উইন্ডোতে লিখুন DISKPART। তাহলে নতুন আরেকটি উইন্ডো খুলবে। সেখানে LIST DISK লিখে এন্টার করুন।এবারে প্রথমে SELECT DISK 1 লিখুন। তারপর একে একে নিচের সংকেতগুলো লিখেদিন—

CLEAN

CREATE PARTITION PRIMARY

SELECT PARTITION 1

ACTIVE

FORMAT FS=NTFS

ASSIGN

EXIT

এবার এই উইন্ডো মিনিমাইজ করে রাখুন। তারপর উইন্ডোজ সেভেন ডিভিডি-রম ড্রাইভে ঢোকান।ধরে নিই আপনার ডিভিডি-রম ড্রাইভ ও পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার হলো যথাক্রমে I ও J ।

কমান্ড উইন্ডোতে ফিরে গিয়ে I: CD BOOT Ges CD BOOT লিখুন। এবারে BOOTSECT.exe /NT60 J: লিখে এন্টার করুন। এবারে ডিভিডির সব ফাইল পেনড্রাইভে কপি করে নিন, তা হলেই বুটেবল হয়ে যাবে পেনড্রাইভ এবং সরাসরি পেনড্রাইভ থেকেই ইনস্টল করতে পারবেন উইন্ডোজ সেভেন অপারেটিং সিস্টেম। তবে এই পদ্ধতি উইন্ডোজ এক্সপির জন্য নয়, শুধু উইন্ডোজ সেভেন, এইট ও ভিস্তার জন্য।

Monday, December 3, 2012

মডেমের স্পিড বাড়িয়ে নিন


THINK CREATIVE BE POSITIVE

মডেমের স্পিড নিয়ে আমরা অনেকেই হতাশ থাকি। এতো টিপস ফলো করি তাও ইন্টারনেটের স্পিড পাইনা। হতাশ হবার কোন কারন নেই, আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম একটি ছোট সফটওয়্যার যার নাম মডেম বুস্টার ৫.0।

উইন্ডোজের বিভিন্ন সেটিংস চেন্জ করে ইন্টারনেট স্পিড আপ করা আমাদের মত সাধারন ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই কষ্ট সাধ্য। তাই আমি এই সফটওয়্যার টা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। সফটওয়্যারটি ফ্রি। তাই এটি এক্টিভেট করার ঝামেলা নেই। অর্থাৎ ফুল ভার্সন এটি।

সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করার পর .rar ফরমেটের একটি ফাইল পাবেন। উইনার বা সেভেন জিপ দিয়ে এক্সট্রার্ট করে নিন। তাহলেই এর ভিতরের মডেম বুস্টার সফটওয়্যাটি পাবেন।

ডাবল ক্লিক করে ইন্সটল করুন। ইন্সটলের পর রান করুন। এখন আপনার মডেমটি কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করুন।

এর পর টাস্ক বার হতে মডেম বুস্টার সফটওয়্যার এর উপর মাউসের রাইট ক্লিক করুন। Optimize Modem Setting এ ক্লিক করুন।

কিছুক্ষনের মধ্যেই আপনার অপটিমাইজ হয়ে যাবে। এর পর টাস্কবারে একই আইকনে মাউসের লেফট ক্লিক করুন। তাহলে বুস্টার সফটওয়্যারটির উইন্ডোটি চালু হবে। এখান থেকে Advance Tweak এ ক্লিক করুন।

তার পর নিচের সব সেটিংস এ চেক মার্ক করে Apply Changes এ ক্লিক করুন। ব্যাস কাজ শেষ। এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করুন। কিছুক্ষন সময় লাগতে পারে সেটিংস গুলো একটিভ হতে। তার পর আবার ইন্টারনেট কানেক্ট হলে ব্রাউজ করে দেখুন স্পিড বেড়েছে কিনা। আশাকরি অবশ্যই ভাল ফলাফল পাবেন।

সফটওয়্যারটির ডাউনলোড লিংক:

https://rapidshare.com/#!download|83p7|46182795|Modem_Booster_5.0.rar|3101|0|0

Standard bar এ যুক্ত করে রাখুন আপনার প্রয়োজনীয় Tools


Standard bar এ যুক্ত করে রাখুন আপনার প্রয়োজনীয় Tools

My Computer open করে Standard bar এ মাউস রেখে রাইট বাটন এ ক্লিক করে customize…এ ক্লিক করুন। নিচের চিত্রটি দেখুন।

এরপর Customize toolbar আসবে,আপনার প্রয়োজনীয় Toolটি select করে add করুন এরপর close করে বেরিয়ে আসুন। নিচের চিত্রটি দেখুন।

কম্পিউটার সুপার ফাস্ট করুন (১০০% SuperRam দিয়ে)


SuperRam 6.এই সফটওয়্যার আপনার কম্পিউটারের গতি নিয়ন্ত্রণ করে। আপনার কম্পিউটারে মেমরি পরিচালনার মাধ্যমে দ্রুত সঞ্চালন করে। অনেক সময় দেখবেন আপনার কম্পিউটার হ্যাংগ করে তা কিসের কারনে Ram এর কারনে। আবার অনেক সময় গেম চালাতে গিয়ে পিসি হ্যাংগ করে। উইন্ডোজের মধ্যে এই পরিবর্তনের প্রোগ্রাম এবং গেম দ্রুত চালাতে সক্ষম করে এই সফটওয়্যার এর মাধ্যমে। এর সাহায্যে SuperRam আপনার কম্পিউটারে ব্যাকগ্রাউন্ডে রান নির্ণয় যায়। SuperRam এর সেটিংস আপনি স্বাধীনভাবে করতে পারবেন। SuperRam এর সাহায্যে আপনার কম্পিউটারের প্রসেসর কত ব্যবহার হচ্ছে কত মেমরি ব্যবহার হচ্ছে তা দেখিয়ে দেয়।

সফটওয়্যার নামঃ SuperRam 6.+patch

এর বৈশিষ্ট্য: -

# SuperRam কম্পিউটার মেমরি সেরা অনুকূল যা সহজ এ ব্যবহার করা যায়।

# যুক্তিসঙ্গত মান সিস্টেম স্থিতিশীলতা বজায় রাখে এবং ব্যাকগ্রাউন্ডের কাজ করে।

# কম্পিউটার মেমরি উপলব্ধ সিস্টেম প্রদর্শিত মধ্যে ভিসুয়াল উপস্থাপনা করে।

# সেটিংস এবং আপনার পছন্দ বাছাই সম্পূর্ণ স্বনির্ধারিত করে।

# সহজ এবং স্বজ্ঞাত ইউজার ইন্টারফেস, যা বাস্তব সময়ের মেমরি অপ্টিমাইজেশান সঞ্চালিত করে।

এছাড়াও আরও ডাউনলোড লিঙ্ক আছেঃ http://filehunk.com/superram-6-patch/

Download

আমি দেখছি আপনারা কনো কমেন্ট করেন না, তাহলে আমি বুজব কি করে আপনাদের পোস্ট ভাল লাগছে। তাই বলছি কমেন্ট করবেন।

Sunday, December 2, 2012

মোবাইল ফোনের কয়েকটি সফটওয়্যার

অপেরা মিনি

ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় এমন সব মোবাইল ফোনে ওয়েবসাইট দেখার জন্য নিজস্ব একটি সফটওয়্যার থাকে। অপেরা মিনি এমন একটি সফটওয়্যার, যেটি অধিকাংশ মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা যায়। এর ঠিকানা: www.opera.com/mini

ই-মেইল

মোবাইল ফোন থেকে ব্যবহার করার জন্য জিমেইলের বিশেষ একটি সংস্করণ রয়েছে। বিস্তারিত জানতে দেখুন—www.google.com/mobile/gmail। নকিয়াসহ অধিকাংশ স্মার্টফোনে ই-মেইল আদান-প্রদানের সফটওয়্যার যুক্ত থাকে।

ফেসবুক

মোবাইল ফোন থেকে ফেসবুক ব্যবহার করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সাহায্য পাওয়া যাবে m.facebook.com সাইটে।

গেমস

মোবাইল ফোনে খেলার উপযোগী গেম বিনা মূল্যে পাওয়া ওয়েবসাইট হলো—www.mobilclub.org

ইনস্ট্যান্ট মেসেঞ্জার

ইবাডি (www.ebuddy.com) মোবাইল ফোন থেকে চ্যাট করার জন্য বেশ জনপ্রিয় একটি সফটওয়্যার। এখান থেকে গুগলটক, ইয়াহু, এমএসএন এবং ফেসবুকে চ্যাট সুবিধা ব্যবহার করা যায়। এমন আরও কিছু প্রোগ্রাম হলো নিমবাজ (www.nimbuzz.com), মিগ৩৩ (mig33.com) ইত্যাদি।

আরও আছে

মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা যায় এমন প্রোগ্রামের বড় সংগ্রহ পাওয়া যাবে www.getjar.com ওয়েবসাইট থেকে।


দ্রুত ফাইল খুঁজে বের করুন

ফাইল বা ফোল্ডার খুঁজে পাচ্ছেন না? অপারেটিং সিস্টেমের সার্চ সুবিধা অনেক সময় নেয় কোনো কিছু খুঁজে দিতে?

এই সমস্যার সমাধান এবং খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ফাইলটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক থেকে খুঁজে দেবে এভরিথিং-১.২.১.৩৭১ নামের একটি সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যার বহনযোগ্য বলে কম্পিউটারে ইনস্টল না করলেও চলবে। প্রচলিত প্রায় সব অপারেটিং সিস্টেমে এটি চলবে। এর আকার ৩৭০ কিলোবাইট।

প্রথমে www.mediafire.com/? acre29gnv82m38x ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে জিপ ফাইলকে আনজিপ করুন। Everything-1.2.1.371 নামের ফাইলটিতে দুই ক্লিক করে কাজ শুরু করে দিন। ফাঁকা বক্সটিতে ফাইলের নাম লিখুন। দেখুন কত দ্রুত হার্ডডিস্কের কোথায় আপনার ফাইলটি আছে, তা নিমেষেই খুঁজে দেবে।


জেনে নিন ফাইলের বৃত্তান্ত


মানুষের যেমন জীবনবৃত্তান্ত থাকে, তেমনি কম্পিউটারের ফাইলেরও বৃত্তান্ত বা নানা রকম তথ্য থাকে। ফাইল প্রোপার্টিজের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন ফাইলের আকার, প্রোগ্রামের নাম, ফাইল তৈরির তারিখ, ফাইল মডিফাই করার তারিখ, সর্বশেষ মডিফাই করার তারিখ, ফাইলের নামসহ ইত্যাদি তথ্য।

ফাইলের তথ্য জানতে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে যেকোনো একটি ফাইল নির্বাচন করে ডান ক্লিক করুন। এখানে অনেক সাবমেনু আছে যেমন—Open, New, Print, Properties ইত্যাদি। এবার Properties-এ ক্লিক করুন। ফাইলের নাম অনুসারে একটি File Properties ডায়ালগ বক্স আসবে (যেমন—ABC Properties)। এখানে তিনটি বাটন আছে। যেমন—General, Custom & Summary. তারপর General-এ দেখতে পাবেন আপনার ফাইলের সাইজ, প্রোগ্রামের নাম, ফাইল তৈরির তারিখ, ফাইল মডিফাই করার তারিখ, সর্বশেষ মডিফাই তারিখ, ফাইলের অবস্থান, রিড অনলি ইত্যাদি। Custom-এ আছে নাম, টাইপ, প্রোপার্টিজ। Summary বাটনে ক্লিক করার পর নিচে Advanced লেখায় ক্লিক করুন।

লক্ষ করুন, আপনি কতটি শব্দ, ওয়ার্ড, লাইন, পৃষ্ঠা টাইপ করেছেন, তার তথ্যাবলি পর্যায়ক্রমে আরও অন্যান্য তথ্যসহ প্রদর্শিত হচ্ছে (ওয়ার্ড ফাইলের ক্ষেত্রে)

Saturday, December 1, 2012

কম্পিউটার দ্রুত বন্ধ করুন


কম্পিউটার দ্রুত বন্ধ (শাট ডাউন), পুনরায় চালু (রিস্টার্ট), লগ-অফ, স্ট্যান্ডবাই, হাইবারনেট বা সিডি-ডিভিডি বের করতে (মিডিয়া ড্রাইভ ইজেক্ট) করতে চাইলে কিউএসডি নামের ছোট্ট একটা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। http://www.mediafire.com/?n2vzriv8c14ami4 ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে ৫০৮ কিলোবাইটের সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিতে হবে। এর পর Extract করুন এবং কম্পিউটারে ইনস্টল করুন। ইনস্টল করার পর ডান দিকে নিচে Quick Shut Down নামের আইকনে দুই ক্লিক করলে দ্রুত কম্পিউটার শাট ডাউন হয়ে যাবে। শাট ডাউন, রিস্টার্ট, লগ-অফ, স্ট্যান্ডবাই, হাইবারনেট, মিডিয়া ড্রাইভ ইজেক্ট করাতে চাইলে, আইকনের ওপর ডান ক্লিক করুন। এখান থেকেও ওই কাজগুলো করা যাবে। এ ছাড়া শর্টকাট কি তৈরি করে দ্রুত এ অপশনগুলোর কাজ করতে চাইলে শর্টকাট কি তৈরি করে নিতে পারেন।

যেমন—শাট ডাউন করার জন্য রেডিও বাটনে ক্লিক করুন এবং কারসার রেখে Crtl চেপে S দিয়ে শাট ডাউনের জন্য শর্টকাট কি তৈরি করে নিন। Crtl+S চাপলেই কম্পিউটার দ্রুত শাট ডাউন হয়ে যাবে। এভাবে শাট ডাউন, রিস্টার্ট, লগ-অফ, স্ট্যান্ডবাই, হাইবারনেট, মিডিয়া ড্রাইভ ইজেক্টের শর্টকাট কি তৈরি করে দ্রুত কাজ সমাধা করা যাবে।

এমএস অ্যাকসেসের শুরুটা যেমন


মাইক্রোসফ্ট অফিসের সব প্রোগ্রামই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্য এমএস অ্যাকসেস প্রোগ্রামটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ডেটাবেস প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্রে। অ্যাকসেস তথ্য আদান-প্রদানসহ তথ্য সংরক্ষণ করার একটা বিশাল তথ্যভান্ডার তৈরি করে দিতে পারে। অ্যাকসেসের মাধ্যমে বেশি পরিমাণে এন্ট্রির কাজ করা যায়। এর মাধ্যমে ডেটাবেস ডিজাইনের কাজটা খুব সুন্দর ও নিখুঁতভাবে করা যায়। অ্যাকসেস দিয়ে টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট, পেইজেস ও ম্যাকরো তৈরি (ডিজাইন) করা যায়।

অ্যাকসেস খুলতে উইন্ডোজের Start মেন্যু থেকে Programs হয়ে Microsoft Access-এ ক্লিক করুন। Microsoft Access নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। এতে ব্ল্যাংক উইন্ডোসহ এখানে তিনটি অপশন আছে। যেমন: Blank Access database, Access database wizards, pages and projects এবং Open an existing file। Blank Access database লেখায় মাউস ক্লিক করে Ok করুন। File New Database নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে।

অফিস প্যাকেজের অন্য প্রোগ্রামগুলোতে কাজের মাঝখানে বা শেষে ফাইল সেইভ করা যায়। কিন্তু অ্যাকসেসে প্রথমেই ফাইলের নাম দিয়ে সেভ করে কাজ শুরু করতে হয়। তাই এবার File New database ডায়ালগ বক্সে ফাইল কোথায় থাকবে তা দেখিয়ে দিয়ে ফাইলের নাম লিখুন। এখন Create-এ ক্লিক করলে টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট, পেইজেস ও ম্যাকরো তৈরির উইন্ডো খুলবে। এখান থেকে আপনি বিভিন্ন রকমের কাজ, প্রোজেক্ট ও প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারেন।

আবার Access database wizards, pages and projects লেখায় ক্লিক করে Ok করলে New নামে ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে General and Database নামে দুটি বাটন আছে, যেখানে অনেকগুলো বিভিন্ন ধরনের ডেটাবেস প্রোজেক্ট তৈরি করাই আছে। যেমন: Database কমান্ডে আছে Asset Tracking, Expenses, Inventory Control, Ledger, Time and Billing and Order Entry ইত্যাদি। আপনি ইচ্ছে করলে যেকোনো একটি খুলে নিজের তথ্য বা ডেটা দিয়ে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারেন। আর Open an existing file লেখায় মাউস ক্লিক করলে নিচের ঘরে Northwing Sample database, Contact Sample database and Address database ইত্যাদি নামে বিভিন্ন ধরনের তৈরি ডেটাবেস খুলবে। এগুলো খুলেও নিজের মতো করে সাজিয়ে নেওয়া যায়।

স্থির ছবি থেকে ভিডিও


স্থিরচিত্র ব্যবহার করে ভিডিওচিত্র বানানো যায় সহজেই। এ জন্য ফটোস্টেজ স্লাইড শো প্রডিউসার নামের ছোট একটা সফটওয়্যার লাগবে। এটি দিয়ে যেকোনো ছবিকে ভিডিওতে রূপান্তর করা যাবে। এ জন্য প্রথমে www.mediafire.com/ ?gq6plrqk6bmb7wq ঠিকানা থেকে সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিতে হবে। এর আকার ১.৬৩ মেগাবাইট। নামানোর পর এক্সট্রাক্ট করে কম্পিউটারে ইনস্টল করে নিতে হবে। ইনস্টল করার সময় নামানো ফোল্ডারে Components নামের একটি ফাইল পাবেন, তা কপি করে C:/ ড্রাইভে Program Files খুলে এনসিএইচ সফটওয়্যার নামের ফাইলটি খুলুন। এবার পেস্ট করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। এরপর ডেস্কটপ আইকন থেকে দুই ক্লিক করে ফটোস্টেজ স্লাইড শো প্রডিউসার খুলুন। এবার যেসব ছবিকে ভিডিওতে রূপান্তর করবেন, সেগুলো নির্বাচন করুন। যে শব্দ বা গান এই ছবিতে দিতে চান, তা নির্বাচন করে নিতে হবে। Manage color-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর Builed Slideshow-এ ক্লিক করুন।

এখানে আপনি পিসি, ডিভিডি, সিডি অথবা অন্য কোনো মাধ্যমের জন্য ভিডিওটি রূপান্তর করতে চাইলে তা নির্বাচন করে দিন। ব্রাউজ করে দেখিয়ে দিন ফাইলটি কোথায় রাখবেন। ছবির রেজুলেশন, ফ্রেম রেট ঠিক করে নিতে হবে।

কোন ফরম্যাটে ভিডিও করতে চান, তা নির্ধারণ করে দিন। এবারে সবকিছু ঠিক থাকলে Build Slideshow-এ ক্লিক করলে ভিডিওতে রূপান্তর করা শুরু করবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে এবং দেখবেন, ছবির প্রত্যাশিত ভিডিওটি যথাস্থানে সেভ হয়ে গেছে। তৈরি হয়ে যাবে স্থিরচিত্রের ভিডিও।

Thursday, November 29, 2012

জোড় সংখ্যার বড় যোগ

২ থেকে ১০০০০০০০ (এক কোটি) সংখ্যার মধ্যে যত জোড় সংখ্যা আছে, সেগুলোর যোগফল করার জন্য ছোট্ট একটি প্রোগ্রাম লেখা যায় সি প্রোগ্রামিং ভাষায়।নিচে প্রোগ্রামিং সংকেত দেওয়া হলো।

#include

#include

int main(void)

{

time_t start, end;

double sum=0,i;

start = time(NULL);

for(i=2;i


ই-মেইল একজনের, ব্যবহার করছে আরেকজন?

Hi, I am in trouble. Please send me some money. নিচে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দেওয়া। আপনার কোনো বন্ধুর ই-মেইল থেকে হয়তো মেইলটি এসেছে। এ রকম ই-মেইল ইদানীং অনেকের কাছেই আসে। বিশেষ করে ইয়াহু মেইলে মাঝেমধ্যে এ ধরনের মেইল আসে পরিচিত জনের কাছ থেকে। যারা বিদেশে থাকে, তাদের মেইল থেকেই এ ধরনের মেইল আসে বেশি। অনেকে মেইল পাওয়া মাত্র টাকা (ডলার) পাঠিয়ে দেয় ওই ক্রেডিট কার্ড নম্বরে। এই টাকাগুলো চলে যায় হ্যাকারের দখলে। আবার যারা জানে, তারা ই-মেইলটা পাত্তা না দিয়ে মুছে ফেলে।

হ্যাকাররা কারও কারও ই-মেইল ঠিকানা বেদখল (হ্যাক করা) করে এ ধরনের মেইল পাঠিয়ে থাকে। ক্রেডিট কার্ডের তথ্যে নিজেদের কার্ডের নম্বর দিয়ে দেয়। টাকা চলে যায় তাদের অ্যাকাউন্টে।

যারা এ ধরনের ই-মেইল প্রায়ই পায়, তারা বুঝে যায় যে কাজটি হ্যাকারের। যারা নতুন বা প্রথম এ ধরনের মেইল পায়, তারা অনেক সময় বুঝতে পারে না। টাকা পাঠিয়ে পরে বুঝতে পারে। সেই টাকা সাধারণত আর ফেরত আনা যায় না।

হ্যাকাররা প্রথমে কারও আইডি হ্যাক করে ওই আইডির ইনবক্স, সেন্ট আইটেম থেকে কিছু মেইল পড়ে বা কনটাক্ট লিস্ট থেকে কারও কারও মেইলে এ ধরনের মেইল পাঠিয়ে থাকে, যাতে পুরো মেইল বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে।

প্রতিকার: কারও ই-মেইলে এ ধরনের মেইল এলে তাকে (যার আইডি থেকে এসেছে) মোবাইল ফোনে, ফেসবুকে বা অন্য কোনো মাধ্যমে জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন যে সে এই মেইলটি করেছে কি না।

হ্যাকার যদি তার অন্যান্য মাধ্যমও (ফেসবুক, অন্য ই-মেইল ঠিকানা) হ্যাক করে ফেলে, তাহলে হ্যাকারই আবার অন্য আইডি থেকে উত্তর দেবে। এ জন্য সবচেয়ে ভালো হয় মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেস করা বা ভয়েস চ্যাট করে জিজ্ঞেস করা। মেইল বা ফেসবুকে বার্তা দিয়ে জিজ্ঞেস করতে চাইলে মেসেজটি ইংরেজি হরফে বাংলা লিখুন। যেমন, Tumi ki taka cheye amar kache email korecho? তাহলে হ্যাকার যদি বাংলা ভাষা না জানে, তাহলে সে বুঝবে না।

হ্যাকার যদি আপনার আইডি হ্যাক করে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলে, তাহলে আপনি যখন আপনার আইডিতে ঢুকতে পারবেন না, তখনই বুঝতে পারবেন আপনার আইডি হ্যাক হয়েছে। আর হ্যাকার যদি আপনার পাসওয়ার্ড জেনে যায় কিন্তু পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে মাঝেমধ্যে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে, তাহলে কীভাবে বুঝবেন?

আপনার ই-মেইল বেদখল বা হ্যাকড হয়েছে, এটা হয়তো আপনি বুঝেছেন, কিন্তু হ্যাকার আপনার পাসওয়ার্ড জানে? কীভাবে জানবেন যে হ্যাকার আপনার পাসওয়ার্ড জানে কি না?

ইয়াহুর ক্ষেত্রে: প্রথমে ইয়াহু মেইলে ঢুকে (লগ-ইন) আপনার নামের ওপর ক্লিক করে Account Info নির্বাচন করুন। পাসওয়ার্ড দিতে বললে আবার পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করুন। এখন নতুন পেজ এলে বাম পাশ থেকে Sign-In and Security-এর সবার নিচের View your recent login activity-এ ক্লিক করুন।

নতুন পেজ এলে দেখতে পাবেন আপনার কম্পিউটারের বর্তমান আইপি ঠিকানা এবং গত কয়েকবার কোন দেশ থেকে, কত তারিখ, কতটার সময়, ব্রাউজার না ইয়াহু মেসেঞ্জার দিয়ে আপনার মেইলে প্রবেশ করা হয়েছে এবং তখন কী কী কাজ করা হয়েছে। ডান পাশে Location থেকে IP Address নির্বাচন করে দিলে দেখতে পাবেন কোন কোন আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) ঠিকানা থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা হয়েছে। আপনি যদি সব সময় একই কম্পিউটার থেকে লগ-ইন করে থাকেন এবং একই সংযোগদাতার ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আইপি ঠিকানার চারটি অংশের মধ্যে প্রথম দুটি অংশ একই থাকবে। তখন যদি দেখেন ভিন্ন কোনো আইপি থেকে বা ভিন্ন কোনো সময়ে আপনার মেইলে প্রবেশ করা হয়েছিল এবং ওই আইপি ঠিকানা সম্পর্কে যদি বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আইপি ঠিকানাটি কপি করে www.ip-adress.com/whois ঠিকানায় গিয়ে টেক্সটবক্সে পেস্ট করে IP Whois বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে জানতে পারবেন ওই আইপি ঠিকানাটি কোন সংযোগদাতার, তাদের ঠিকানা, মেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত্যাদি। এমনকি একটি মানচিত্রের সাহায্যেও দেখানো হবে কোন জায়গা থেকে ওই আইপি ঠিকানার সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে।

ইয়াহু মেইলের বিভিন্ন সংস্করণ আছে। যেমন—ক্লাসিক, বেটা ইত্যাদি। তাই বিভিন্ন সংস্করণে এই অপশনগুলো বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারে। একটু খোঁজাখুঁজি করলেই হয়তো পেয়ে যাবেন।

হ্যাকারের হাতে আপনার ই-মেইল ঠিকানা। এখন এটি পুনরুদ্ধার করতে হবে। কীভাবে ফিরে পাবেন আপনার ই-মেইল অ্যাকাউন্ট—তা নিচে দেওয়া হলো।

ইয়াহুর ক্ষেত্রে: ইয়াহুতে ঢোকার (লগ-ইন) সময় যখন ঢুকতে পারবেন না, তখন লগ-ইনের নিচে I can’t access my account-এ ক্লিক করুন। নতুন পেইজ এলে I have a problem with my password নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে My Yahoo! ID-এ আপনার ই-মেইল ঠিকানা লিখে Enter the code shown বক্সে নিচে থাকা সাংকেতিক সংখ্যা বা অক্ষর লিখে Next-এ ক্লিক করুন। নতুন পেইজ এলে My alternate email-এ আপনার বিকল্প ই-মেইল ঠিকানা লিখে Next-এ ক্লিক করুন। আপনার বিকল্প ই-মেইল ঠিকানায় একটি মেইল যাবে এবং সেই মেইলে একটি লিংক থাকবে। ওই লিংকে ক্লিক করলে নতুন পাসওয়ার্ড চাইবে, তখন নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনার ই-মেইল আইডি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।

আপনার ই-মেইল ঠিকানায় যদি বিকল্প ই-মেইল উল্লেখ না করা থাকে বা আপনার বিকল্প ঠিকানাটাও যদি হ্যাকড হয়ে যায়, তাহলে My alternate email-এর নিচের অপশনটি Use my secret questions নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে আপনাকে দুটি প্রশ্ন করা হবে (যে প্রশ্নগুলো ই-মেইল ঠিকানা তৈরি করার সময় নির্বাচন করে দিয়েছিলেন)। প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিলেই নতুন পাসওয়ার্ড চাইবে, তখন নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনার ই-মেইল আইডি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। ই-মেইল অ্যাকাউন্টে অলটারনেটিভ ই-মেইল নামে একটি অপশন থাকে সেখানে আপনার অন্য এক বা একাধিক ই-মেইল ঠিকানা দিন এবং এতে মোবাইল ফোন নম্বর যোগ করুন।

যে ই-মেইল আইডি একবার হ্যাকড হয়েছে, সেটি আর ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ, হ্যাকার ওই ই-মেইল আইডির অনেক তথ্য জেনে যায় এবং সে ইচ্ছা করলে আবারও ওই আইডি হ্যাক করতে পারে।


ব্লক করুন যেকোনো ওয়েবসাইট

আপনার কম্পিউটারে নির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইট যেন না খোলে সে ব্যবস্থা আপনি সহজেই করতে পারেন। এ জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত সাইট ব্লক করতে হবে। ছোট্ট একটা ফাইল সম্পাদনা করেই এ কাজটি করা যায়। কম্পিউটারে নোটপ্যাড খুলুন। ফাইল থেকে ওপেনে ক্লিক করুন। নিচে Files of type থেকে All files নির্বাচন করুন। এবার C:/WINDOWSystem32/drivers/etc ফোল্ডারটি খুঁজে বের করুন। HOSTS ফাইলটি খুলুন। নিচে দেখুন একটা লাইন আছে এমন ‘127.0.0.1 localhost’। এর নিচে লিখুন 127.0.0.2 www.xyzabc.com ( যে সাইট ব্লক করতে চান) এবং সেভ করুন। তাহলে ওই সাইটটি ব্লক হয়ে যাবে এবং আপনার কম্পিউটার থেকে আর কেউ এটায় যেতে পারবে না।

অনেকগুলো সাইট ব্লক করতে চাইলে একইভাবে শুধু 127.0.0.1 এর জায়গায় 127.0.0.2 দিন, আরও করতে চাইলে 127.0.0.3 লিখে সাইটের পুরো ঠিকানা লিখবেন। আনব্লক করতে চাইলে ব্লক করার জন্য যে লাইনটা লিখেছিলেন, সেটা মুছে দিয়ে ফাইলটি সেভ করলেই চলবে।


Facebook